কলকাতা: খারিজ জামিনের আর্জি। ED হেফাজতের নির্দেশ হল রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর। এদিন কোর্ট লকআপ থেকে বেরোনোর সময় সুজিতকে উদ্দেশ্য করে ‘চোর চোর’ স্লোগান ওঠে। “এক বিক্ষোভকারী বলেন,” ? What? “” ” পাঁচটা চোর যেমন ট্রিটমেন্ট পায় এখানে সেই “”
বিস্তারিত…
সুজিত বসুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি যখন দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন, সেই সময়কালে প্রায় ১৫০ জন ক্যান্ডিডেটকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর সুপারিশে চাকরি হয়েছিল। শুধু সুপারিশ নয়, টাকার বিনিময়ে চাকরি হয়েছিল। কোনও কোনও ক্ষেত্রেও এমনটাও দেখা গেছে যে, জমি নিয়ে নেওয়া হয়েছিল চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে। এই সমস্ত তথ্য যেমন ইডির তরফে আইনজীবী আদালতে রাখেন, তার পাশাপাশি আরও একাধিক বিষয় তুলে ধরেছেন ইডির আইনজীবী। সুজিত বসুর নামে শেল কোম্পানির কথা তুলে ধরেছেন।
শুধু তা-ই নয়, কোভিডের সময় যখন সমস্ত রেস্তোরাঁ, সমস্ত খাবারের দোকান বন্ধ, সেই সময় সুজিত বসু ও তাঁর পরিবারের লোকেদের যে সমস্ত লেনদেন রয়েছে, সেগুলো খতিয়ে দেখতে পেরেছে। মোটা অঙ্কের টাকা সেই রেস্তোরাঁ, ধাবার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল। সেগুলো কী কারণে ? সেইসব প্রশ্ন উঠেছে। তাছাড়া সুজিত বসুর অন্যতম ঘনিষ্ট নিতাই দত্তকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেশকিছু নথি পেয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা। আজ সেগুলো আদালতের সামনে তারা রাখে। আদালতের সামনে রেখে তারা কী কারণে সুজিত বসুকে নিজেদের হেফাজতে চাইছে, তারজন্য ৯টি কারণ দেখিয়েছে ইডি।
ভোটের আগে এই মামলায় সুজিত বসুকে ৪ বার নোটিস পাঠিয়েছিল ED। প্রতিবারই হাজিরা এড়ান তিনি। হাজিরার নোটিস চ্য়ালেঞ্জ করে হাইকোর্টেরও দ্বারস্থ হন। আদালতে আবেদন করেন, ভোটের পর, ১৫ মে ED দফতরে হাজির হবেন। ED দফতরে হাজির হতে হবে সুজিত বসুকে। সেই মতো, পয়লা মে আইনজীবী-সহ CGO কমপ্লেক্সে হাজির হন সুজিত বসু। ভোটের ফল ঘোষণার পর ৬ ুকে ED দফতরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই তলবে হাজিরা এড়ান সুজিত বসু। সোমবার তিনি ED দফতরে হাজিরা দেন। গতকালই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
