Time Room

ফতারের সময় বিশ্বনবি যে আমলগুলো করতেন & more related news here

ফতারের সময় বিশ্বনবি যে আমলগুলো করতেন

 & more related news here


পবিত্র রমজান মাস হলো রহমত, বরকত ও নাজাতের সময়। সারা দিন সিয়াম সাধনার পর সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে রোজা খোলার নামই ইফতার। মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) ইফতারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু সুন্নাত ও আমল পালন করতেন যা রোজাদারদের জন্য অত্যন্ত কল্যাণকর। সুন্নাত অনুযায়ী সূর্যাস্তের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পর কোনো বিলম্ব না করে দ্রুত ইফতার করে নেওয়া সর্বোত্তম।

রাসুলুল্লাহ (সা.) খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করতে পছন্দ করতেন। যদি খেজুর পাওয়া না যায় তবে সাদা পানি দিয়ে ইফতার শুরু করা মুস্তাহাব। ইফতারের ক্ষেত্রে একটি বিজ্ঞানসম্মত দিক হলো শুরুতে হালকা খাবার গ্রহণ করে মাগরিবের নামাজের পর মূল আহার করা যা শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে সহায়তা করে।

ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তটি আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়। ক্ষুধার্ত অবস্থায় সামনে খাবার নিয়ে আল্লাহর নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করা বান্দার এক অনন্য ইবাদত। এই সময়ে বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তেগফার পড়ার নির্দেশনা রয়েছে।

বিশেষ করে ‘আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম , , ” অনেক। এছাড়া ইফতারের সময় বিশ্বনবি (সা.) ‘আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু, ওয়া আ’লা রিযক্বিকা ‘ আল্লাহ! আমি তোমারই জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিজিক দিয়েই ইফতার করছি। ইফতার সম্পন্ন করার পর তিনি তৃষ্ণা মেটানো এবং সওয়াব নিশ্চিত হওয়ার জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে মাসনুন দোয়া পাঠ করতেন।

অন্যের ঘরে ইফতার করার ক্ষেত্রেও বিশ্বনবি (সা.) সুন্দর শিষ্টাচার শিখিয়েছেন। মেহমান হিসেবে ইফতার করলে তিনি স্বাগতিকদের কল্যাণের জন্য দোয়া করতেন যাতে ফেরেশতারা তাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন। রমজানের এই পবিত্র সময়ে প্রত্যেক রোজাদারের উচিত ইফতারের সুন্নাতগুলো সঠিকভাবে পালন আ এবং এই বিশেষ মুহূর্তটিকে দোয়া কবুলের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো।

ইফতারের সময়ের প্রতিটি কাজ ও পঠিত দোয়া বান্দার আমলনামায় বাড়তি সওয়াব যোগ করার পাশাপাশি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সঠিক নিয়মে ইফতার পালনের মধ্য দিয়ে একজন রোজাদার প্রকৃত আধ্যাত্মিক প্রশান্তি লাভ করতে পারেন।





Source link

Exit mobile version