ছাব্বিশের নির্বাচনে এক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বাংলার ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। শনিবারই বাংলায় বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই বাংলার জনগণকে নতমস্তকে প্রণাম জানিয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মোদি। ঠিক তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সুদূর বেঙ্গালুরুতে দাঁড়িয়ে মোদির মুখে শোনা গেল বঙ্গজয়ে বিজেপি সাফল্যের কথা। “তিনি বলেন,” মাত্র তিন জন বিধায়ক ছিলেন। সেখানে ২০০ জনের বেশি বিধায়ক নিয়ে দল ক্ষমতায়এসেছে।”
রবিবার বেঙ্গালুরুতে বেশ কয়েকটি কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। বেঙ্গালুরুর একটি সভামঞ্চ থেকেই বিজেপি তথা এনডিএ জোটের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন মোদি। সেখানেই মোদির মুখে উঠে আসে বিজেপি বঙ্গজয়ের সাফল্যের কথা। ‘পাখির চোখ’ করে ভোটের ময়দানে ঝাঁপিয়েছিল গেরুয়াশিবির। ‘ভরসার বাংলা’ তৈরির প্রতিশ্রুতি নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছেন স্বয়ং মোদি-শাহ। বাংলার ভয়ের বাতাবরণ থেকে মুক্তি দেওয়ার অঙ্গীকারই বিজেপি অন্যতম লক্ষ্য। এমন আশ্বাসেই এবারের নির্বাচনে বাংলার মানুষের মনজয় করতে সক্ষম হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। শ্যামাপ্রসাদের মাটিতে ৭৫ বছরের লড়াই কার্যত সফল বলেই মনে করছে পদ্মশিবির। তৃণমূল সরকারকে কার্যত দুরমুশ করে বাংলায় ২০৭ টি আসনের অধিকারী হয়েছে বিজেপি। কী ভাবে দেশের একের পর এক রাজ্যে গেরুয়া ঝড় উঠছে, সেই প্রসঙ্গ টেনে বাংলার নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের কথা উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, যে রাজ্যে বিজেপির মাত্র তিন জন বিধায়ক ছিলেন, সেই রাজ্য ১০ বছর পর দুশোর বেশি বিধায়ক ক্ষমতায়।
আরও পড়ুন:
বেঙ্গালুরুর মঞ্চ থেকে দাক্ষিণাত্যের অন্যান্য রাজ্যগুলির সাফল্যের ছবিও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি, বিরোধী দলগুলিকে কড়া ভাষায় বিঁধতেও ছাড়েননি তিনি। উল্লেখ্য, বাংলার জয় শুধুমাত্র একটি রাজ্যে বিজেপির সাফল্যর কাহিনি নয়, বরং দেশজুড়ে বিজেপির গ্রহণযোগ্যতার নতুন মাইলফলক হয়ে উঠেছে এই সফলতা। এমনটাই এদিনের সভামঞ্চ থেকে স্পষ্ট করে দিতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
শেয়ার
লিংক
