Time Room

” & more related news here

”

 & more related news here


প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণ পানির ওপর তীব্র গতিতে শক্তি বাড়িয়ে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন ‘বাভি’ (Bavi)।

আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মতে, এটি ২০২৬ সালের বিশ্বের তৃতীয় ‘ক্যাটাগরি-৫’ বা সবচেয়ে বিপজ্জনক মাত্রার একটি সামুদ্রিক ঝড়। শুক্রবার (৩ জুলাই) এর বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬০ মাইল (২৬০ কিলোমিটার)।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এই ঝড়টি ঠিক কোথায় আঘাত হানছে। মানচিত্রের দিকে তাকালে দেখা যাবে—ফিলিপাইনের পূর্ব দিকে এবং জাপানের দিশাল প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে ছোট ছোট কিছু দ্বীপ রয়েছে। এগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণাধীন দ্বীপ অঞ্চল, যার নাম ‘গুয়াম’ এবং ‘নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ’। এই দ্বীপগুলোর ওপর দিয়েই বাভি তার তাণ্ডব চালাতে যাচ্ছে।

সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় বাতাসের খ ‘ হয়। কিন্তু টাইফুন ‘বাভি’ মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে তার গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ মাইল বাড়িয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছে। সমুদ্রের পানির অতিরিক্ত তাপমাত্রা ৏ অনুকূল আবহাওয়ার কারণেই এই ঝড় এত দ্রুত দানবীয় রূপ ধারণ করেছে।

আবহাওয়াবিদদের ধারণা, রোববার (৫ জুলাই) মধ্যে এই ঝড়ের ভেতরের বাতাসের গতিবেগ সর্বোচ্চ ১৭৫ মাইলে পৌঁছাতে পারে। এরপর কিছুটা কমে ১৬৫ মাইল বেগে এটি মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের ‘টিনিয়ান’ ও ‘সাইপান’ দ্বীপের ওপর আছড়ে পড়বে। ঝড়টির কেন্দ্রের তীব্র বাতাসের কারণে উপকূলীয় এলাকায় ধংসাত্মক ক্ষয়ক্ষতি এবং সাগরে ২৫ থেকে ৪৫ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

‘বাভি’ তার দিক পরিবর্তন করবে না। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে গিয়ে আগামী ১০ জুলাই নাগাদ এশিয়ার মূল ভূখণ্ড অর্থাৎ তাইওয়ান কিংবা চারাত হানতে পারে।

২০২৬ সালে বাভির আগে আরও দুটি ক্যাটাগরি-৫ মাত্রার ঝড় হয়েছিল। প্রথমটি ছিল গত এপ্রিলের সুপার টাইফুন ‘সিনলাকু,’ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল। আর দ্বিতীয়টি ছিল ফেব্রুয়ারিতে ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘হোরাসিও’, তবে সেটি কোনো স্থলভাগে আঘাত করেনি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রের পানি দিন দিন আরও উষ্ণ হয়ে উঠছে। আর এই কারণেই ইদানীং এত শক্তিশালী ও বিপজ্জনক ঝড়ের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।

সূত্র: ইয়েল ক্লাইমেট কানেকশনস





Source link

Exit mobile version