ফাউল এড়িয়ে যাওয়া এবং পেনাল্টি বিতর্ক
ম্যাচের প্রথমার্ধে এবং দ্বিতীয়ার্ধে এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যা আর্জেন্তিনার পক্ষে গিয়েছে বলে অভিযোগ। প্রথমার্ধের রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা যায়, আর্জেন্তিনার রাইট-ব্যাক নাহুয়েল মলিনা তাঁর হাত বাড়িয়ে মিশরের উইঙ্গার ইমাম আশুরকে ফাউল করেন। কিন্তু বিস্ময়করভাবে মলিনাকে কোনও শাস্তি দেওয়া হয়নি।
এখানেই শেষ নয়, দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্তিনার বক্সে লেফট-ব্যাক নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে মাঠে লুটিয়ে পড়েন মিশরের অধিনায়ক মহম্মদ সালাহ। রিপ্লেতে দেখা যায়, তাগলিয়াফিকোর পা সালাহর বুটের ডগায় লেগেছিল, যার ফলে তিনি (Football Match Controversy)। কিন্তু রেফারি মিশরের ন্যায্য পেনাল্টির দাবি সরাসরি খারিজ করে দেন।
এর আগে দ্বিতীয়ার্ধেই ভিএআর-এর সাহায্যে মিশরের একটি গোলও বাতিল করা হয়, যা বিতর্কের আগুনে ঘৃতাহুতি দেয় (VAR controversy)।
মিশরীয় শিবিরের ক্ষোভ ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ
এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলোর পর স্বাভাবিকভাবে ক্ষোভে ফেটে পড়ে মিশরীয় শিবির। রেফারির এই ভূমিকার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন মিশরের হেড কোচ হোসাম হাসান এবং দলের অন্যতম ফরোয়ার্ড মোস্তফা জিকো।
সমাজমাধ্যমেও রেফারি লেতেক্সিয়রের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সাংবাদিক, প্রাক্তন ফুটবলার এবং ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মধ্যে এখন একটাই জোর চর্চা চলছে—রেফারিরা কি আর্জেন্তিনাকে বাড়তি সুবিধা দিচ্ছেন? বিশেষ করে যে সিদ্ধান্তগুলো পঞ্চাশ-পঞ্চাশ হতে পারত, সেগুলো বারবার আর্জেন্তিনার পক্ষেই যাওয়ায় এই সন্দেহ আরও তীব্র (Lionel Messi) অনেকেই সওয়াল তুলেছেন, বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের টুর্নামেন্টে টিকিয়ে What’s wrong with you?
অপ্রত্যাশিত প্রত্যাবর্তন
রেফারিং বিতর্কের মধ্যেই অবশ্য লিওনেল মেসির সৌজন্যে আর্জেন্তিনার রাজকীঝ প্রত্যাবর্তনকে অস্বীকারের উপায় নেই। ম্যাচের ৭৯ মিনিট পর্যন্ত ইয়াসের ইব্রাহিম এবং মোস্তফা জিকোর গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল মিশর। মনে হচ্ছিল টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় অঘটনটি ঘটতে চলেছে।
কিন্তু ঠিক তখনই ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্তিনা। ৭৯ মিনিটে মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান কমান ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো। এর ঠিক চার মিনিট পর, ৮৩ মিনিটে দুর্দান্ত ভলিতে নিজের অষ্টম টুর্নামেন্ট গোলটি করে সমতা ফেরান মেসি। ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়াছে, (৯০+২) এনজো ফার্নান্দেজ দুরন্ত হেডে জয়সূচক গোলটি (Bengali Football News)।
রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আর্জেন্তিনার এই স্নায়ুর চাপ ধরে রাখার ক্ষমতাও বিশ্বকাপের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
