Argentina vs England: ‘অর্থহীন’? না হলেও হয়? না, এই ম্যাচের পেছনে রয়েছে বড় কারণ | লেটেস্ট খেলার খবর & more related news here

Argentina vs England: ‘অর্থহীন’? না হলেও হয়? না, এই ম্যাচের পেছনে রয়েছে বড় কারণ | লেটেস্ট খেলার খবর

 & more related news here


১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি প্রথম চালু হয়, যেখানে জার্মানি অস্ট্রিয়াকে ৩-২ গোলে পরাজিত করেছিল। ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে, সেমিফাইনালে পরাজিত দুটি দল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুগোস্লাভিয়া সেই ম্যাচটি খেলেনি। পরবর্তীতে গোল পার্থক্যে এগিয়ে থাকার কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তৃতীয় স্থানাধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং উভয় দলের অধিনায়কদের পদক প্রদান করা হয়। ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়নি, কারণ টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্বে রাউন্ড-রবিন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে, ১৯৫৪ সাল থেকে বিশ্বকাপে এই ম্যাচ সবসময়ই অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। উল্লেখ্য, দলগত সাফল্যের দিক থেকে জার্মানিই সর্বাধিক ব্রোঞ্জ পদকজয়ী দল। বিশ্বকাপে ৪ বার রানার-আপ হওয়ার পাশাপাশি তারা ৪টি পদক জিতেছে।১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি প্রথম চালু হয়, যেখানে জার্মানি অস্ট্রিয়াকে ৩-২ গোলে পরাজিত করেছিল। ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে, সেমিফাইনালে পরাজিত দুটি দল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুগোস্লাভিয়া সেই ম্যাচটি খেলেনি। পরবর্তীতে গোল পার্থক্যে এগিয়ে থাকার কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তৃতীয় স্থানাধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং উভয় দলের অধিনায়কদের পদক প্রদান করা হয়। ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়নি, কারণ টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্বে রাউন্ড-রবিন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে, ১৯৫৪ সাল থেকে বিশ্বকাপে এই ম্যাচ সবসময়ই অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। উল্লেখ্য, দলগত সাফল্যের দিক থেকে জার্মানিই সর্বাধিক ব্রোঞ্জ পদকজয়ী দল। বিশ্বকাপে ৪ বার রানার-আপ হওয়ার পাশাপাশি তারা ৪টি পদক জিতেছে।

১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি প্রথম চালু হয়, যেখানে জার্মানি অস্ট্রিয়াকে ৩-২ গোলে পরাজিত করেছিল। ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে, সেমিফাইনালে পরাজিত দুটি দল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুগোস্লাভিয়া সেই ম্যাচটি খেলেনি। পরবর্তীতে গোল পার্থক্যে এগিয়ে থাকার কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তৃতীয় স্থানাধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং উভয় দলের অধিনায়কদের পদক প্রদান করা হয়। ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়নি, কারণ টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্বে রাউন্ড-রবিন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে, ১৯৫৪ সাল থেকে বিশ্বকাপে এই ম্যাচ সবসময়ই অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। উল্লেখ্য, দলগত সাফল্যের দিক থেকে জার্মানিই সর্বাধিক ব্রোঞ্জ পদকজয়ী দল। বিশ্বকাপে ৪ বার রানার-আপ হওয়ার পাশাপাশি তারা ৪টি পদক জিতেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *